সাংবাদিক নেতাদের মামলায় জড়ানোয় বিএআরএফের তীব্র নিন্দা

**সাংবাদিক নেতাদের মামলায় জড়ানোয় বিএআরএফের তীব্র নিন্দা**

* বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএআরএফ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলায়মান হোসেনকে একটি মামলায় আসামি করায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
* বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ অক্টোবর ঢাকার একটি আদালতে একটি সি.আর. মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে ১৭৬ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
* বিএআরএফ বলছে, মাইনুল হাসান সোহেলকে ১৭৪ নম্বর এবং সোলায়মান হোসেনকে ১৭৩ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাদের আওয়ামী লীগ নেতা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা সাংবাদিক সমাজের কাছে অগ্রহণযোগ্য।
* বিএআরএফের পক্ষ থেকে সভাপতি রফিকুল ইসলাম সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক কাওসার আজম এই ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং হয়রানি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
* বিএআরএফ অবিলম্বে মামলা থেকে এই দুই সাংবাদিক নেতার নাম প্রত্যাহারের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

**শিরোনাম:** সাংবাদিক নেতাদের মামলায় জড়ানোয় বিএআরএফের তীব্র নিন্দা

**মূল প্রতিবেদন:**

বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএআরএফ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এবং ডিআরইউ-এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলায়মান হোসেনকে একটি মামলায় আসামি করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিএআরএফ-এর কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি রফিকুল ইসলাম সবুজ এবং সাধারণ সম্পাদক কাওসার আজম এক বিবৃতিতে এই মামলাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেন।

বিএআরএফ-এর দপ্তর সম্পাদক ফারুক আহমাদ আরিফ স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গত ১৫ অক্টোবর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (আমলি–রামপুরা)-এ জনৈক মো. সালাউদ্দিন একটি সি.আর. মামলা (মামলা নং—৪৭৮) দায়ের করেন। এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ ১৭৬ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামিদের তালিকায় ১৭৪ নম্বর অবস্থানে ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এবং ১৭৩ নম্বর অবস্থানে ডিআরইউ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলায়মান হোসেনকে আওয়ামী লীগ নেতা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিএআরএফ-এর পক্ষ থেকে এটিকে সাংবাদিক সমাজের কাছে অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করা হয়েছে।

বিএআরএফ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের বিবৃতিতে বলেন, মাইনুল হাসান সোহেল একজন পেশাদার সাংবাদিক, দায়িত্বশীল সংগঠক এবং স্বচ্ছ পরিচয়ের অধিকারী। একইভাবে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোলায়মান হোসেনও দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠন ডিআরইউ-তে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার কোনো প্রমাণ নেই এবং এমন অভিযোগের বিন্দুমাত্র সত্যতা পাওয়ারও সুযোগ নেই বলে তারা দাবি করেন।

বিবৃতিতে সবুজ এবং কাওসার অভিযোগ করেন, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই দুইজনকে মামলায় জড়িয়েছে, যা পরিষ্কারভাবে হয়রানির শামিল।

বিএআরএফ কার্যনির্বাহী কমিটি অবিলম্বে এই মামলা থেকে মাইনুল হাসান সোহেল এবং সোলায়মান হোসেনের নাম বাদ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *