ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এর খুলনার নেতাকে অব্যাহতি

**ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এর খুলনার নেতাকে অব্যাহতি**

* বাউলশিল্পী আবুল সরকারের মুক্তি দাবি কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগে আপ বাংলাদেশের খুলনার নেতা ফাইজুল্লাহ ইকবাল শাকিলকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
* বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
* অভিযুক্ত ফাইজুল্লাহ ইকবাল শাকিল খুলনা মহানগর আপ বাংলাদেশের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
* সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

**ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এর খুলনার নেতা ফাইজুল্লাহ ইকবাল শাকিলকে অব্যাহতি**

ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এর খুলনার নেতা ফাইজুল্লাহ ইকবাল শাকিলকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) জানানো হয় যে, বাউলশিল্পী আবুল সরকারের মুক্তি দাবির কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংগঠনের মুখপাত্র শাহরিন সুলতানা ইরা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ফাইজুল্লাহ ইকবাল শাকিলকে তার পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, সংগঠনের সর্বস্তরে শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

ফাইজুল্লাহ ইকবাল শাকিল খুলনা মহানগর আপ বাংলাদেশের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এর আগে, বুধবার বিকেলে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট আয়োজিত একটি মানববন্ধনে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী, ছাত্র গণমঞ্চ, ছাত্র ইউনিয়ন, গণতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কয়েকজন নেতা আহত হন এবং তাদের ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

হামলার পর ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে ফাইজুল্লাহ ইকবাল শাকিলকে তার কর্মীদের হামলার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে এবং ব্যানার পোড়ানোর নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। এমনকি হামলার ঘটনার ভিডিও নিজেদের ফেসবুক পেজেও আপলোড করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ফাইজুল্লাহ ইকবাল শাকিল কালবেলাকে জানান, ঘটনার দিন দুপুরে বামপন্থী সংগঠনের নেতাদের মানববন্ধন ছিল এবং বিকেল ৫টায় বাউল আবুল সরকারের গ্রেপ্তারের দাবিতে তাদেরও পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। তবে বামপন্থী সংগঠনটি তাদের কর্মসূচি পাঁচটায় করার প্রস্তুতি নেওয়ায় তিনি আলোচনার মাধ্যমে তাদের প্রোগ্রাম বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তার দাবি, আলোচনার এক পর্যায়ে বামপন্থী কর্মীরা তাদের ওপর মারমুখী হয়ে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য সংঘর্ষ হয়। তিনি আরও বলেন, তিনি কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকলেও সংঘর্ষের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নন এবং তাকে অব্যাহতি দেওয়ার আগে তার বক্তব্যও জানতে চাওয়া হয়নি।

খুলনা জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সজিব খান বলেন, তাদের প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা হয়েছে এবং পরিকল্পিতভাবে ছাত্র-জনতার ব্যানারে ছাত্রশিবির, আপ বাংলাদেশ ও এবি পার্টির কর্মীরা হামলা চালিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *