রুশ যুদ্ধবিমানকে ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের ধাওয়া, পশ্চিমাদের হতবাক

**রুশ যুদ্ধবিমানকে ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের ধাওয়া, পশ্চিমাদের হতবাক**

* রুশ যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্য করে ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
* ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যায়, রুশ যুদ্ধবিমানকে ধাওয়া করছে ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র এবং তা থেকে বাঁচতে বিমানটি ক্রমাগত বিস্ফোরক ছুঁড়ছে।
* শেষ পর্যন্ত, রাশিয়া থেকে আগত দুটি সু-২৫ যুদ্ধবিমান ক্ষেপণাস্ত্রকে ফাঁকি দিয়ে ইউক্রেনে সফল হামলা চালিয়ে ফিরে যেতে সক্ষম হয়।
* পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার এই যুদ্ধকৌশল দেখে হতবাক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
* এই সংঘাতের মধ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ২৮ দফার শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনা চলছে।

**রুশ যুদ্ধবিমানকে ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের ধাওয়া, পশ্চিমাদের হতবাক**

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র রুশ যুদ্ধবিমানকে ধাওয়া করছে। ভিডিওটিতে আরও দেখা যায়, রুশ যুদ্ধবিমানটি নিজেকে বাঁচানোর জন্য ক্রমাগত বিস্ফোরক নিক্ষেপ করছে। অবশেষে, দুটি রুশ সু-২৫ যুদ্ধবিমান ক্ষেপণাস্ত্রকে এড়িয়ে ইউক্রেনে সফল হামলা চালিয়ে ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে। রাশিয়ার এই সামরিক দক্ষতা দেখে পশ্চিমা দেশগুলো হতবাক হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মন্তব্য করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ২৮ দফার শান্তি পরিকল্পনা ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানের ভিত্তি হতে পারে। তবে, তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে ইউক্রেন এই প্রস্তাব গ্রহণ না করলে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ইউক্রেনে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

বর্তমানে, রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ১৯ শতাংশ এলাকা, যা প্রায় এক লাখ ১৫ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার, নিয়ন্ত্রণ করছে। মস্কো মূলত ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ডনবাস অঞ্চলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চাইছে।

এদিকে, ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুত করা নতুন পরিকল্পনায় কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে, তাদের ইউরোপীয় মিত্ররা এই পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট বলেছেন, “শান্তি মানে আত্মসমর্পণ নয়। ইউক্রেনীয়রা ন্যায়সঙ্গত শান্তি চায়।” ইইউ পররাষ্ট্রনীতির প্রধান কাযা কালাসও জানিয়েছেন যে, “যে কোনো উদ্যোগ ইউক্রেন ও ইউরোপের সমর্থন ছাড়া এগোনো সম্ভব নয়।” পোল্যান্ডও বলেছে যে, “ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় শর্ত আরোপ করা অগ্রহণযোগ্য।”

পুতিন সতর্ক করে বলেছেন যে, ইউক্রেন বা ইউরোপীয় শক্তিগুলো কেউই বুঝতে পারছে না যে রুশ বাহিনী আরও সামনে অগ্রসর হচ্ছে এবং শান্তি স্থাপিত না হলে এই অগ্রগতি চলতেই থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *