শ্রীলঙ্কায় ভারি বৃষ্টিতে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বৃদ্ধি

**শ্রীলঙ্কায় ভারি বৃষ্টিতে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বৃদ্ধি**

* শ্রীলঙ্কায় টানা ভারি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা ৪০ ছাড়িয়েছে।
* দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল এবং বেশ কিছু সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
* কেন্দ্রীয় প্রদেশের পাহাড়ি চা-বাগান অঞ্চল বাদুল্লা ও নুয়ারা এলিয়াতের মতো এলাকায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
* দুর্যোগে ২১ জন নিখোঁজ এবং ১০ জন আহত হয়েছেন; প্রায় ৫,০০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
* পাহাড়ি অঞ্চলে রেলপথে ধস এবং বন্যার পানি রেললাইন ডুবিয়ে দেওয়ার কারণে ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে।

**শ্রীলঙ্কায় ভারি বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বৃদ্ধি**

শ্রীলঙ্কায় টানা ভারি বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা ৪০ ছাড়িয়ে গেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বেশ কিছু সড়কও বন্ধ রাখা হয়েছে।

শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রদেশের পাহাড়ি চা-বাগান অঞ্চল বাদুল্লা ও নুয়ারা এলিয়াতের মতো এলাকায়। রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই অঞ্চলগুলোতে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্যোগে আরও ২১ জন নিখোঁজ এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সপ্তাহান্তে আরও ভারি বর্ষণে ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। এর ফলে ঘরবাড়ি, আবাদি জমি ও সড়ক প্লাবিত হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনেক নদী ও জলাধার উপচে পড়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃপ্রাদেশিক সড়ক বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

পাহাড়ি অঞ্চলে রেলপথে ধস নামার কারণে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। স্থানীয় টেলিভিশন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রেললাইনের উপর জমে থাকা পাথর, কাদা ও গাছ অপসারণে কর্মীরা ব্যস্ত রয়েছেন। কিছু এলাকায় বন্যার পানি রেললাইনকেও ডুবিয়ে দিয়েছে।

টেলিভিশন ফুটেজে আরও দেখা গেছে, নৌবাহিনীর বিশেষ যানে করে মানুষকে উদ্ধার করা হচ্ছে। এছাড়া, কলম্বো থেকে প্রায় ৪১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পূর্বাঞ্চলীয় আম্পারা শহরের কাছে বন্যার তোড়ে একটি গাড়ি ভেসে যেতে দেখা গেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র আরও জানিয়েছে যে, এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫,০০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *