**আপ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত**
* ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) তাদের প্রথম জাতীয় সমন্বয় সভা ঢাকায় আয়োজন করে।
* সংগঠনের বিভিন্ন শাখা ও বিভাগের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
* সভায় সংগঠনের কার্যক্রম, সাংগঠনিক বিস্তার, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।
* সভাপতির বক্তব্যে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এবং নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
* আপ বাংলাদেশ গুণগত পরিবর্তন, কার্যকর সংস্কার ও জনগণের ক্ষমতায়নের রাজনীতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।
**ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) এর প্রথম জাতীয় সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত**
ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) তাদের প্রথম জাতীয় সমন্বয় সভা ২০২৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত করেছে। আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় সংগঠনের জেলা, থানা, মহানগর, ক্যাম্পাস চ্যাপ্টার, নারী উইংসহ বিভিন্ন শাখা ও বিভাগের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এই সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি ৭০টির বেশি জেলা, উপজেলা, থানা, মহানগর, বিশ্ববিদ্যালয় ও যুব উইংয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় সংগঠনের প্রতিষ্ঠার পর থেকে কার্যক্রম, সাংগঠনিক বিস্তার, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন নির্বাচন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জুলাই বিপ্লবে আপনারা যেভাবে জীবনবাজি রেখে রাজপথে ছিলেন, তেমনি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণেও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “আপ বাংলাদেশ ক্ষমতার রাজনীতি নয়, গুণগত পরিবর্তন, কার্যকর সংস্কার ও জনগণের ক্ষমতায়নের রাজনীতি করতে চায়। তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আমাদের এগোতে হবে।”
সভায় সদস্য সচিব আরেফিন মো. হিজবুল্লাহ সংগঠনের আট মাসের সাংগঠনিক বিস্তার, কার্যক্রম ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত নির্বাচনকেন্দ্রিক আপ বাংলাদেশের অবস্থান ও দিক নির্দেশনা সম্পর্কে জানান। প্রধান সংগঠক নাঈম আহমাদ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, সদস্য বৃদ্ধি ও সংহতি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়াও, উপস্থিত বিভিন্ন কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা তাদের অভিজ্ঞতা, অর্জন, চ্যালেঞ্জ এবং প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। আলোচনায় নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিনির্মাণে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উঠে আসে।
সমন্বয় সভার শেষে আপ বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়তে ও জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে বলে জানানো হয়।
