**এ্যানি: অন্যায়ের কাছে মাথা নত করার পাত্র নই**
* লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ছাত্রজীবনে বহু জেল খেটেছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
* তিনি দাবি করেছেন, তাঁর কপালে গুলি করা হয়েছে, বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং তাঁর ছেলেদের উপরও অত্যাচার করা হয়েছে।
* শুক্রবার লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
* এ্যানি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, জিয়াউর রহমান দেশে-বিদেশে জনপ্রিয় নেতা ছিলেন।
* তিনি খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের সুনাম এবং শেখ হাসিনাকে ‘কাজ্জাব’ (মিথ্যাবাদী) আখ্যা দিয়ে বলেন, সৌদি আরবেও এমনটাই বলা হয়।
**লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী এ্যানি: নির্যাতনের শিকার হলেও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি**
বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করার মতো লোক নন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে নারী ভোটারদের নিয়ে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ্যানি বলেন, ছাত্ররাজনীতি করতে গিয়ে তাঁকে বহু জেল খাটতে হয়েছে। তাঁর কপালে গুলি করা হয়েছে, বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, তাঁর দুই ছেলের ওপর অত্যাচার করা হয়েছে এবং পুলিশ তাঁর বাড়িতে হামলা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে পিটিয়েছে। এতকিছুর পরও তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি বলে জানান।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা স্মরণ করে এ্যানি বলেন, পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে দামাল ছেলেদের নেতৃত্ব দিয়েছেন জিয়াউর রহমান। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন এবং সবাইকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। জিয়াউর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ও মুক্তিযোদ্ধাদের নেতা, যিনি রণাঙ্গনে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে বাংলার দামাল ছেলেদের নিয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
এ্যানি আরও বলেন, সৌদি আরবে লোকজন জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সুনাম করে এবং সেখানে শেখ হাসিনাকে ‘কাজ্জাব’ অর্থাৎ মিথ্যাবাদী আখ্যা দেয়। তারা খালেদা জিয়াকে ভালো বলে এবং জিয়াউর রহমানকে মুসলিম উম্মাহর নেতা হিসেবে গণ্য করে। তাঁর মতে, জিয়াউর রহমান দেশে-বিদেশে জনপ্রিয় নেতা ছিলেন।
উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান, আবুল হাশেম, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মো. এমরান, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার সুমি ভূঁইয়া প্রমুখ।
