**কিছু ক্ষেত্রে নারীদেরও ভুলের দায় স্বীকার: মমতা শঙ্কর**
* প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্কর বলেছেন, অনৈতিক প্রস্তাবের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষরাই জড়িত থাকেন না, নারীদেরও কিছু ক্ষেত্রে দায় থাকে।
* তিনি মনে করেন, অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়ার আশায় অনেক সময় নারীরা পুরুষের অনৈতিক কাজকে প্রশ্রয় দেন।
* শারীরিক হেনস্তা এক বিষয় হলেও, বুদ্ধি দিয়ে যেকোনো খারাপ প্রস্তাব এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
* সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিষয়ে নিজের ভাবনা ব্যক্ত করেন।
**বিস্তারিত:**
ভারতীয় সিনে-ইন্ডাস্ট্রির বরেণ্য অভিনেত্রী ও খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্কর বলেছেন যে, অনৈতিক প্রস্তাব বা আচরণের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষরাই এককভাবে দায়ী নন, কিছু ক্ষেত্রে নারীদেরও ভুলের দায় থাকতে পারে। তিনি মনে করেন, নারীরা অনেক সময় অতিরিক্ত সুবিধা লাভের আশায় এই ধরনের কাজকে প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন।
সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মমতা শঙ্কর তাঁর নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “খুব অল্প বয়স থেকে নাচ ও সিনেমার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, আমি কখনো কোনো খারাপ প্রস্তাবের সম্মুখীন হইনি।” তিনি জানান, যদি কখনো তিনি বুঝতে পারতেন যে কেউ তাঁকে কৌশলে কোনো কিছু বলার চেষ্টা করছে, তবে তিনি এমন ভান করতেন যেন কিছুই বুঝতে পারেননি। এভাবে তিনি বিষয়টি কাটিয়ে উঠতেন এবং বক্তার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও স্বাভাবিক থাকত। তবে, এই ধরনের অপ্রীতিকর মন্তব্য আর তাঁকে করতে পারেননি।
মমতা শঙ্করের মতে, “অনৈতিক কাজে শুধু পুরুষরাই জড়িত—এ কথা ঠিক নয়। সব ক্ষেত্রে না হলেও, অনেক সময় নারীরাও অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়ার আশায় তাদের প্রশ্রয় দেন।” তিনি আরও বলেন, “কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেয়েদের দিক থেকে ভুল হয়। কিছু একটা পাওয়ার জন্য আমরা (নারীরা) হয়তো নিজেকে ছেড়ে দিলাম। উল্টো দিকের মানুষটাকে কিছুটা এগোতে দিলাম। কিন্তু তারপর হয়তো কাজটা হলো না। তখন তার নামে ‘মি টু’ হয়ে গেল।” এই ধরনের পরিস্থিতি তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য নয় বলে তিনি জানান। তবে, শারীরিক হেনস্তার ঘটনাকে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং গুরুতর বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর বিশ্বাস, শারীরিক হেনস্তা ছাড়া অন্য যেকোনো খারাপ প্রস্তাবকে বুদ্ধি দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।
উল্লেখ্য, গত বছর বর্তমান প্রজন্মের সাজ-পোশাক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করার পর মমতা শঙ্করThe input text describes the views of renowned Indian actress and dancer Mamata Shankar regarding workplace ethics, particularly concerning “casting couch” scenarios. She states that while she has never personally experienced any inappropriate proposals despite a long career in films and dance, she believes that in some instances, women themselves might be complicit by seeking undue advantages. Shankar emphasizes that while physical harassment is a separate issue, she feels that most inappropriate advances can be skillfully navigated and avoided through intelligence. She also mentions that her previous controversial comments on contemporary fashion have not deterred her from expressing her opinions.
* **Summary:**
* Moushumi Hamid stated that she has never received any inappropriate proposals despite her long career.
* She believes that in some cases, women contribute to unethical situations by seeking undue favors.
* She differentiates between physical harassment and other inappropriate proposals, asserting that the latter can be managed with intelligence.
* Despite facing criticism for past remarks on fashion, she remains open to expressing her views.
**New Article:**
**কিছু ক্ষেত্রে নারীদেরও ভুলের দায় স্বীকার: মমতা শঙ্কর**
প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্কর বলেছেন, অনৈতিক প্রস্তাবের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষরাই জড়িত নন, অনেক সময় নারীদেরও কিছু ক্ষেত্রে দায় থাকে। তিনি মনে করেন, অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়ার আশায় নারীরা অনেক সময় পুরুষের অনৈতিক কাজকে প্রশ্রয় দেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মমতা শঙ্কর তাঁর দীর্ঘ অভিনয় ও নাচের জীবনে কখনো কোনো খারাপ প্রস্তাব পাননি বলে জানান। তিনি বলেন, যদি কেউ তাঁকে কৌশলে কোনো কিছু বলার চেষ্টা করত, তবে তিনি এমন ভান করতেন যেন কিছুই বুঝতে পারেননি। এভাবে তিনি পরিস্থিতি সামাল দিতেন এবং ওই ব্যক্তি আর এমন মন্তব্য করতেন না।
শঙ্কর আরও বলেন, “অনৈতিক কাজে শুধু পুরুষরাই জড়িত—এ কথা ঠিক নয়। সব ক্ষেত্রে না হলেও, অনেক সময় নারীরাও অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়ার আশায় তাদের প্রশ্রয় দেন।” তাঁর মতে, “কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেয়েদের দিক থেকে ভুল হয়। কিছু একটা পাওয়ার জন্য আমরা (নারীরা) হয়তো নিজেকে ছেড়ে দিলাম। উল্টো দিকের মানুষটাকে কিছুটা এগোতে দিলাম। কিন্তু তারপর হয়তো কাজটা হলো না। তখন তার নামে ‘মি টু’ হয়ে গেল।” তিনি এই ধরনের পরিস্থিতিকে অত্যন্ত নেতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে, তিনি শারীরিক হেনস্তাকে একটি ভিন্ন এবং গুরুতর বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর বিশ্বাস, শারীরিক হেনস্তা ব্যতীত যেকোনো খারাপ প্রস্তাব বুদ্ধি দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।
উল্লেখ্য, গত বছর বর্তমান প্রজন্মের সাজ-পোশাক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার পরও মমতা শঙ্কর নিজের মতামত জানাতে দ্বিধা করেননি।
