**সাবেক জামায়াত আমিরের কবর জিয়ারত করলেন আবদুল আউয়াল মিন্টু**
* ফেনী-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মকবুল আহমদের কবর জিয়ারত করেছেন।
* শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দাগনভূঞার ওমরাবাদ গ্রামে তিনি এই কবর জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
* অনুষ্ঠানে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুল উদ্দিনসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
* মকবুল আহমদ ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান এবং এর পর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
* মকবুল আহমদ ২০১০ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
**নিউজ আর্টিকেল:**
**ফেনী-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মরহুম মকবুল আহমদের কবর জিয়ারত করেছেন।**
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর মডেল ইউনিয়নের ওমরাবাদ গ্রামের আমিন বাড়ির সামনে এই কবর জিয়ারত অনুষ্ঠিত হয়। আবদুল আউয়াল মিন্টু মরহুম মকবুল আহমদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।
এ সময় দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুল উদ্দিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের সাধারণ সম্পাদক ড. নিজাম উদ্দিন, যুবদল নেতা পেয়ার আহমদ আকাশ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন হায়দারসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল করোনা মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মকবুল আহমদ ইন্তেকাল করেন। একই দিন রাতে ফেনীর আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদ্রাসা মাঠে এবং পরে দাগনভূঞা উপজেলার ওমরাবাদ গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মকবুল আহমদ ২০১০ সালের ২৯ জুন থেকে ২০১৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির এবং ২০১৭ সাল থেকে নির্বাচিত আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালে ডা. শফিকুর রহমান তার স্থলাভিষিক্ত হন। এছাড়াও তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং নায়েবে আমির হিসেবে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আবদুল আউয়াল মিন্টুর এই কবর জিয়ারত জামায়াত-ঘনিষ্ঠ ভোটারদের কাছে একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে পারে, যা আসন্ন নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।
