দেশে ফেরার বিষয়ে তারেক রহমানের বক্তব্য
* খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটজনক এবং তিনি সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন।
* দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর মায়ের সুস্থতা কামনা করে দেশে ফেরার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
* দেশের বিভিন্ন স্তরের নাগরিক এবং বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
* তারেক রহমান জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের দোয়া ও ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেছেন।
* রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে দেশে ফেরা এককভাবে তারেক রহমানের হাতে নেই বলে তিনি জানিয়েছেন।
—
**খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্য ও দেশে ফেরার ব্যাপারে আশাবাদ**
**ঢাকা:** বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটজনক বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসক। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে সেখানে তাঁর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে।
খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে দেশে ফেরার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তাঁর ছেলে ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমান জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় আছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দল-মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া করছেন। তাঁর প্রধান উপদেষ্টা রোগমুক্তির জন্য দোয়ার পাশাপাশি চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল তাদের পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। বন্ধুপ্রতিম একাধিক রাষ্ট্রও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
তারেক রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শনের জন্য জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। একই সাথে, বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের কাছে দোয়া অব্যাহত রাখার আন্তরিক অনুরোধ জানান।
সর্বশেষে তিনি বলেন, এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতোই তাঁরও রয়েছে। তবে, এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাঁর একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ সীমিত এবং এটি তাঁর একক নিয়ন্ত্রণে নেই। রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে এই বিষয়টি স্পর্শকাতর। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে।
