**জোড় ইজতেমায় আরও এক মুসল্লির মৃত্যু**
* টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে চলমান জোড় ইজতেমায় অংশ নেওয়া এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
* শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) জুমার নামাজের সময় স্ট্রোক করে চাঁন মিয়া (৬০) নামে ওই মুসল্লির মৃত্যু হয়।
* তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
* এর আগে ভোরের দিকেও এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছিল, এই নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২ জনে।
* এই জোড় ইজতেমায় প্রায় ১৭টি দেশ থেকে ৪৩৬ জন বিদেশি মেহমান অংশ নিয়েছেন।
গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে চলমান জোড় ইজতেমায় অংশ নিতে আসা আরও এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) জুমার নামাজের সময় তার মৃত্যু হয়।
তাবলিগের শুরায়ি নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান কালবেলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃত মুসল্লির নাম চাঁন মিয়া (৬০)। তিনি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা। চাকরির সুবাদে তিনি নারায়ণগঞ্জের রঘুনাথপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, জুমার নামাজের সময় চাঁন মিয়া হঠাৎ স্ট্রোক করেন। তাৎক্ষণিকভাবে সহযাত্রীরা তাকে ইজতেমা মাঠ সংলগ্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে ভোরের দিকেও একজন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছিল। এই নিয়ে চলমান পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২ জনে।
উল্লেখ্য, ইজতেমায় দেশের চিল্লাধারী মুসল্লিদের পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় ১৭টি দেশ থেকে ৪৩৬ জন বিদেশি মেহমান ময়দানে অবস্থান নিয়েছেন। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই-এর তথ্যমতে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসল্লি এসে ময়দানে তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে অবস্থান নিয়েছেন। এর মধ্যে পাকিস্তান থেকে ৩০৮ জন, ভারত থেকে ৭০ জন, কিরগিজস্তান থেকে ১০ জন, কানাডা থেকে ৯ জন, মিয়ানমার থেকে ৩ জন, ইয়েমেন থেকে ৪ জন, চীন থেকে ১ জন, সৌদি আরব থেকে ৬ জন, তিউনিসিয়া থেকে ১ জন, যুক্তরাজ্য থেকে ৭ জন, ইতালি থেকে ২ জন, নাইজার থেকে ১ জন, আফগানিস্তান থেকে ৬ জন, আমেরিকা থেকে ১ জন, জার্মানি থেকে ১ জন ও জাপান থেকে একজন মুসল্লি রয়েছেন।
জোড় তাবলিগ জামাতের মুরুব্বিদের মতে, এটি দাওয়াতের কাজের চেতনার স্পন্দন জাগানোর একটি বিশেষ আয়োজন, যা সারা বছরের কাজের সঠিক নকশা ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
জোড় ইজতেমাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন সেবা সংস্থা প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে। এছাড়া, তাবলিগের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।
